নিউজ ডেস্ক : সরকার আগামী ১০ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
সরকারের এই উদ্যোগ ছিল নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। নির্বাচনে জয়লাভের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঈদের আগেই হতদরিদ্র পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা সব শ্রেণির মানুষ পাবেন না। চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী ছয় শ্রেণির নাগরিক এই সুবিধার আওতার বাইরে থাকবেন।

এই ছয় শ্রেণির নাগরিক হলেন—
১. পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি পেনশনভোগী হলে,
২. বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী পরিবার,
৩. গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদের মালিক,
৪. পরিবারের সদস্য সরকারি চাকরিজীবী হলে,
৫. বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী,
৬. বড় ব্যবসার মালিক।
অন্যদিকে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত— এই তিন শ্রেণির পরিবার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্য পরিবারের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কর্মসূচির মূল দর্শন— ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক। নীতিমালাটি শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।