• সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
কমলগঞ্জে মুসলিম মনিপুরী শিক্ষার্থীদের কে বিএমইটি বৃত্তি ও নগদ অর্থ প্রদান ঈদুল ফিতরে লাউয়াছড়ায় পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় শ্রীমঙ্গল পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা, খোয়ালেন ৮ লাখ টাকা কমলগঞ্জে মণিপুরী নববর্ষ উৎসব ‘শজিবু চৈরাউবা’ উদ্বোধন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে মেহেদী, গায়ে নতুন পোশাক, ঈদের আনন্দ ছড়ালেন এমপি মুজিব বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ শহীদ সুদেষ্ণা সিংহ: মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় আত্মত্যাগের স্মরণ শ্রীমঙ্গলে মাসব্যাপী ক্বিরাত প্রশিক্ষণ শেষে পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ভিপি মিজান

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জে ধানের শীষের জয়

রিপোটার : / ২৩৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৭৪ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–এর প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৯ হাজার ১৮৯ ভোট। এতে ১ লাখ ২০ হাজার ৪১৯ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় এ আসনটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর দখলে ছিল। বিভিন্ন সময়ে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, জামায়াতসহ একাধিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় পায়নি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুল রহমান এ আসনে মাত্র ৬,৫৯৪ ভোট পান।
২০০৮ সালের নির্বাচনে হাজী মুজিব প্রথমবার বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৯ হাজার ৫৯৯ ভোট পান। ২০১৮ সালেও ভোট কারচুপি হয়েছে তারপরও  তিনি লক্ষাধিক এর কাছাকাছি ভোট পেয়েছেন । ২০১৪ ও ২০২৪ সালে বিএনপির ভোট বর্জনের কারণে এ আসনে এককভাবে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে।
এ আসনের গুরুত্বপূর্ণ ভোটার শ্রেণি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে চা শ্রমিকদের একটি বড় অংশ আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নিলেও এবারের নির্বাচনে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, ধর্মীয় স্থাপনা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগত সহায়তার কারণে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন পেয়েছেন বলে জানান বিশ্লেষকরা।
বিজয়ের পর হাজী মুজিব বলেন আদিবাসী ও চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...