• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অর্থবছরের মধ্যে সব স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন হবে: শ্রীমঙ্গলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ চান যাত্রীরা ভিউয়ের নেশায় জীবন ঝুঁকিতে: সাপ নিয়ে বিপজ্জনক কনটেন্ট বন্ধ হোক পরিবেশ রক্ষায় কমলগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফলজ গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ স্বামীর সম্পত্তি অধিকার চান শ্রীমঙ্গলের রহিমা শ্রীমঙ্গলের অভিজাত লন্ডন রেস্টুরেন্টে দক্ষ ম্যানেজার নিয়োগ সিলেটে বিআরটিসির নতুন টিকিট কাউন্টার উদ্বোধন, ১৮ রুটে বাস সার্ভিস কমলগঞ্জে বন্যাকবলিত ৬৫০ পরিবারের পাশে সিএনআরএস, নগদ সহায়তা ও হাইজিন কিট বিতরণ ৯৯৯-এ কলের পর হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ পর্যটককে উদ্ধার করল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ৮ বছর ধরে চাঁদা দেওয়ার পর এক কিস্তি বন্ধ, ফল ধরার আগমুহূর্তে ১,২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে

আধুনিকতার বাইরে ফুলবাড়ি চা বাগান, ভরসা এখন কুপিবাতি

রিপোটার : / ১৮৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আহাদ মিয়া, কমলগঞ্জ  : 
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান এ যেন আধুনিক বাংলাদেশ নয়, বরং ফিরে যাওয়া এক ত্রিশ বছর আগের বাস্তবতায়। টানা কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন এই জনপদে অন্ধকারে ডুবে গেছে বাজার, দোকানপাট ও মানুষের দৈনন্দিন জীবন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার থেকে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চা বাগানের শ্রমিকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারের দোকানগুলোর একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে মোমবাতি ও কুপিবাতি। তবে মোমবাতির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে কেরোসিনচালিত কুপিবাতি কিংবা স্থানীয়ভাবে তৈরি ‘বোমা বাতি’ ব্যবহার করছেন।
সরেজমিনে ফুলবাড়ি চা বাগান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ম্লান আলোয় ধুঁকছে প্রতিটি দোকান। নিবো নিবো আলোতে চলছে বেচাকেনা, যা দেখে মনে হয় অতীতের কোনো বাংলাদেশের চিত্র। বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও কমে গেছে। যারা আসছেন, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতির মাঝেই কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যায় কদম আলীর দোকানের সামনে। সেখানে একটি জেনারেটরের মাধ্যমে কয়েকটি দোকানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধু আলো নয়, মোবাইল ফোন ও টর্চলাইট চার্জের ব্যবস্থাও রয়েছে সেখানে।
প্রতি মোবাইল চার্জের জন্য নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। প্রয়োজনের তাগিদে চা বাগানের শ্রমিকরা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে তাদের মোবাইল ও টর্চলাইট চার্জ করছেন।
অন্ধকারের মাঝেও এই জেনারেটরভিত্তিক সেবা যেন ছোট্ট এক আশার আলো হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জন্য। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন কবে ফিরবে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা? ফুলবাড়ি চা বাগানের মানুষের এই দুর্ভোগ আর কতদিন চলবে, তার উত্তর এখনো অজানা।


আরো সংবাদ পড়ুন...