• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু মদ পান করে দুই নারীকে ইভটিজিং, পুলিশকে বাধা,আটক যুবক শ্রীমঙ্গলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ট্যুরিজম কমলগঞ্জের আয়োজনে মনিপুরী নৃত্যশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে নানা আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ শ্রীমঙ্গলে ম্যানেজার বাংলো থেকে ৮ ফুটের অজগর উদ্ধার কমলগঞ্জ লাউয়াছড়ার বাঘমারা ক্যাম্পে পরিত্যক্ত জায়গায় পরিবেশবান্ধব গাছের চারা রোপণ। কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে নিখোঁজ টমটম চালকের মরদেহ ২৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জে ধানের শীষের জয়

রিপোটার : / ৩৫২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল–কমলগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান চৌধুরী হাজী মুজিব। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৭৪ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–এর প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৯ হাজার ১৮৯ ভোট। এতে ১ লাখ ২০ হাজার ৪১৯ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।
স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ সময় এ আসনটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর দখলে ছিল। বিভিন্ন সময়ে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ, জামায়াতসহ একাধিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয় পায়নি। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুল রহমান এ আসনে মাত্র ৬,৫৯৪ ভোট পান।
২০০৮ সালের নির্বাচনে হাজী মুজিব প্রথমবার বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৯ হাজার ৫৯৯ ভোট পান। ২০১৮ সালেও ভোট কারচুপি হয়েছে তারপরও  তিনি লক্ষাধিক এর কাছাকাছি ভোট পেয়েছেন । ২০১৪ ও ২০২৪ সালে বিএনপির ভোট বর্জনের কারণে এ আসনে এককভাবে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে।
এ আসনের গুরুত্বপূর্ণ ভোটার শ্রেণি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে চা শ্রমিকদের একটি বড় অংশ আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নিলেও এবারের নির্বাচনে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। স্থানীয়ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, ধর্মীয় স্থাপনা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগত সহায়তার কারণে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন পেয়েছেন বলে জানান বিশ্লেষকরা।
বিজয়ের পর হাজী মুজিব বলেন আদিবাসী ও চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...