• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু মদ পান করে দুই নারীকে ইভটিজিং, পুলিশকে বাধা,আটক যুবক শ্রীমঙ্গলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ট্যুরিজম কমলগঞ্জের আয়োজনে মনিপুরী নৃত্যশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে নানা আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ শ্রীমঙ্গলে ম্যানেজার বাংলো থেকে ৮ ফুটের অজগর উদ্ধার কমলগঞ্জ লাউয়াছড়ার বাঘমারা ক্যাম্পে পরিত্যক্ত জায়গায় পরিবেশবান্ধব গাছের চারা রোপণ। কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে নিখোঁজ টমটম চালকের মরদেহ ২৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার

চাঁদা না দেওয়ায় বন ভিলেজারের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, মারধরের ঘটনাও

রিপোটার : / ২১৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আহাদ মিয়া,মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রেঞ্জের আদমপুর বনবিট এলাকায় চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে এক বন ভিলেজারের বাড়িতে লাগানো ফলজ গাছ কেটে ফেলা এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে বন প্রহরীদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, আদমপুর বনবিট এলাকার কালেন্জী গ্রামে বাপ-দাদার আমল থেকে বন ভিলেজার হিসেবে বসবাস করে আসছেন মহেব উল্লা (৭৫)সহ শতাধিক পরিবার। বন বিভাগের বিধি অনুযায়ী এসব ভিলেজার নিজেদের বাড়ির আশপাশে শাকসবজি ও ফলমূল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেব উল্লা তার বাড়িতে শখ করে কমলা ও আনারসের বাগান গড়ে তুলেছিলেন। এসব গাছ লাগানোর সময় তিনি বনবিট কর্মকর্তাকে একবার ১৫ হাজার টাকা এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি আবারও অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে মহেব উল্লার ছেলে আলী হোসেন তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরই জেরে গত কয়েকদিন আগে দুপুরে বিট কর্মকর্তার নির্দেশে বন প্রহরী শাহ আলম ও শাহীন আহমেদ এসে জোরপূর্বক কয়েকটি কমলা ও আনারস গাছ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে মহেব উল্লা, তার স্ত্রী আলেকজান বিবি (৬০) এবং পুত্রবধূ সালমা বেগম (৩০) সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়। আহত অবস্থায় মহেব উল্লা ও তার স্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ভিলেজাররা জানান, আদমপুর বনবিটে বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদার যোগদানের পর থেকে ভিলেজারদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, সামাজিক বনায়নের নামে টাকার বিনিময়ে বনের জমি স্থানীয়দের কাছে লিজ দেওয়া হচ্ছে। বন ভিলেজার ও খাসিয়া আদিবাসীরা নতুন ঘর ইট দিয়ে নির্মান করতে হলেও, বন বিটকে চাঁদা দিতে হয়।  এ বিষয়ে বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি সরেজমিনে আদমপুর বনবিট অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, রাজকান্দি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গ্রামবাসী ও বন ভিলেজারদের অভিযোগ মিথ্যা। বরং বন প্রহরীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...