• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে বসতবাড়ি থেকে বিষধর খৈয়া গোখরো সাপ উদ্ধার কালবৈশাখী ঝড় ও বন্যায় কমলগঞ্জের আদমপুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি বিধ্বস্ত শ্রীমঙ্গলে ফজরের নামাজ চলাকালে এক বৃদ্ধাকে হত্যা, যুবক আটক লাউয়াছড়ায় সড়ক অবরুদ্ধ: যানজটে আটকে ট্রেন মিস পর্যটকের শ্রীমঙ্গলে একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাচ্ছে,পশ্চিম ভাড়াউড়া গ্রাম। শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিকতার বাইরে ফুলবাড়ি চা বাগান, ভরসা এখন কুপিবাতি শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার চোরাই মালামাল কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ, তিন দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অধিকাংশ এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে কমলগঞ্জে নতুন সাপ্তাহিক পত্রিকার উদ্বোধন

চাঁদা না দেওয়ায় বন ভিলেজারের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, মারধরের ঘটনাও

রিপোটার : / ৭০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আহাদ মিয়া,মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রেঞ্জের আদমপুর বনবিট এলাকায় চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে এক বন ভিলেজারের বাড়িতে লাগানো ফলজ গাছ কেটে ফেলা এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে বন প্রহরীদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, আদমপুর বনবিট এলাকার কালেন্জী গ্রামে বাপ-দাদার আমল থেকে বন ভিলেজার হিসেবে বসবাস করে আসছেন মহেব উল্লা (৭৫)সহ শতাধিক পরিবার। বন বিভাগের বিধি অনুযায়ী এসব ভিলেজার নিজেদের বাড়ির আশপাশে শাকসবজি ও ফলমূল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেব উল্লা তার বাড়িতে শখ করে কমলা ও আনারসের বাগান গড়ে তুলেছিলেন। এসব গাছ লাগানোর সময় তিনি বনবিট কর্মকর্তাকে একবার ১৫ হাজার টাকা এবং পরে আরও ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি আবারও অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে মহেব উল্লার ছেলে আলী হোসেন তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরই জেরে গত কয়েকদিন আগে দুপুরে বিট কর্মকর্তার নির্দেশে বন প্রহরী শাহ আলম ও শাহীন আহমেদ এসে জোরপূর্বক কয়েকটি কমলা ও আনারস গাছ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে মহেব উল্লা, তার স্ত্রী আলেকজান বিবি (৬০) এবং পুত্রবধূ সালমা বেগম (৩০) সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়। আহত অবস্থায় মহেব উল্লা ও তার স্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ভিলেজাররা জানান, আদমপুর বনবিটে বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদার যোগদানের পর থেকে ভিলেজারদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, সামাজিক বনায়নের নামে টাকার বিনিময়ে বনের জমি স্থানীয়দের কাছে লিজ দেওয়া হচ্ছে। বন ভিলেজার ও খাসিয়া আদিবাসীরা নতুন ঘর ইট দিয়ে নির্মান করতে হলেও, বন বিটকে চাঁদা দিতে হয়।  এ বিষয়ে বিট কর্মকর্তা অর্জুন কান্তি দস্তিদারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি সরেজমিনে আদমপুর বনবিট অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, রাজকান্দি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বড়ুয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গ্রামবাসী ও বন ভিলেজারদের অভিযোগ মিথ্যা। বরং বন প্রহরীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ পড়ুন...