নিজস্ব প্রতিবেদক : সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, কিন্তু কিছু অপরাধী এই পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সমাজকে বিষিয়ে তুলছে। আজ নরসিংদীর শিবপুর থানায় তেমনি ডাকাত শাহ আলম আটক হয়েছে । সে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছ , আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য শাহ আলম ও তার সহযোগীরা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চুরি ও ডাকাতি করে আসছিল। আজ একটি প্রাইভেটকারে করে ২টি গরু চুরি করে পালানোর সময় শিবপুর থানা পুলিশ ধাওয়া করে শাহ আলমসহ ৩ জনকে আটক করে।
তবে যারা শাহ আলমকে ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়েছেন বা টাকার বিনিময়ে পত্রিকার আইডি কার্ড সরবরাহ করেছেন, তারা কি এই অপরাধের ভাগীদার নন?
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, নামসর্বস্ব কিছু পত্রিকার অসাধু সম্পাদকরা মাসিক বা সাপ্তাহিক কমিশনের বিনিময়ে চিহ্নিত অপরাধীদের হাতে কার্ড তুলে দেয়।
এই কার্ড ব্যবহার করে তারা পুলিশি তল্লাশি এড়ানো এবং সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর সাহস পায়।
শুধু এই গরু চোর বা ডাকাতদের ধরলেই হবে না, বরং যে সব অসাধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই অপরাধীকে ‘সাংবাদিক’ বানিয়ে কার্ড দিয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে যারা অপরাধের সাম্রাজ্য গড়েছে, তাদের ঠাঁই শুধু কারাগারেই হওয়া উচিত। সচেতন হোন, ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করুন।