• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন: শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জে ৬৭ হাজারের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হচ্ছে ক্যাপসুল শ্রীমঙ্গলে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত। পর্যটন শিল্পের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় কমলগঞ্জে ৪০টি পলাশ ফুলের চারা রোপণ শ্রীমঙ্গলে পুশইন ঠেকাতে সচেতনতা মুলক সভা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের ‘পুশ-ইন’ অভিযোগ: ৬ নারী ও এক শিশুকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দিলেন স্থানীয়রা কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও এককালীন উপবৃত্তি প্রদান শ্রীমঙ্গলে নিষিদ্ধ চায়না জালে আবারও অজগর আটকা, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি পরিবেশকর্মীদের শাহজালাল রাঃ মাজারের দানবাক্সে সিলগালা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে থেকে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে ডাঃজোবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

আধুনিকতার বাইরে ফুলবাড়ি চা বাগান, ভরসা এখন কুপিবাতি

রিপোটার : / ১৩৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আহাদ মিয়া, কমলগঞ্জ  : 
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান এ যেন আধুনিক বাংলাদেশ নয়, বরং ফিরে যাওয়া এক ত্রিশ বছর আগের বাস্তবতায়। টানা কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন এই জনপদে অন্ধকারে ডুবে গেছে বাজার, দোকানপাট ও মানুষের দৈনন্দিন জীবন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার থেকে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চা বাগানের শ্রমিকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারের দোকানগুলোর একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে মোমবাতি ও কুপিবাতি। তবে মোমবাতির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে কেরোসিনচালিত কুপিবাতি কিংবা স্থানীয়ভাবে তৈরি ‘বোমা বাতি’ ব্যবহার করছেন।
সরেজমিনে ফুলবাড়ি চা বাগান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ম্লান আলোয় ধুঁকছে প্রতিটি দোকান। নিবো নিবো আলোতে চলছে বেচাকেনা, যা দেখে মনে হয় অতীতের কোনো বাংলাদেশের চিত্র। বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও কমে গেছে। যারা আসছেন, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতির মাঝেই কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যায় কদম আলীর দোকানের সামনে। সেখানে একটি জেনারেটরের মাধ্যমে কয়েকটি দোকানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধু আলো নয়, মোবাইল ফোন ও টর্চলাইট চার্জের ব্যবস্থাও রয়েছে সেখানে।
প্রতি মোবাইল চার্জের জন্য নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। প্রয়োজনের তাগিদে চা বাগানের শ্রমিকরা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে তাদের মোবাইল ও টর্চলাইট চার্জ করছেন।
অন্ধকারের মাঝেও এই জেনারেটরভিত্তিক সেবা যেন ছোট্ট এক আশার আলো হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জন্য। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন কবে ফিরবে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা? ফুলবাড়ি চা বাগানের মানুষের এই দুর্ভোগ আর কতদিন চলবে, তার উত্তর এখনো অজানা।


আরো সংবাদ পড়ুন...