• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
  • |
  • |
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ সড়কে বাইক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু মদ পান করে দুই নারীকে ইভটিজিং, পুলিশকে বাধা,আটক যুবক শ্রীমঙ্গলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ট্যুরিজম কমলগঞ্জের আয়োজনে মনিপুরী নৃত্যশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে নানা আয়োজনে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন শ্রীমঙ্গলে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ শ্রীমঙ্গলে ম্যানেজার বাংলো থেকে ৮ ফুটের অজগর উদ্ধার কমলগঞ্জ লাউয়াছড়ার বাঘমারা ক্যাম্পে পরিত্যক্ত জায়গায় পরিবেশবান্ধব গাছের চারা রোপণ। কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে নিখোঁজ টমটম চালকের মরদেহ ২৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার

আধুনিকতার বাইরে ফুলবাড়ি চা বাগান, ভরসা এখন কুপিবাতি

রিপোটার : / ২৩১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আহাদ মিয়া, কমলগঞ্জ  : 
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান এ যেন আধুনিক বাংলাদেশ নয়, বরং ফিরে যাওয়া এক ত্রিশ বছর আগের বাস্তবতায়। টানা কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন এই জনপদে অন্ধকারে ডুবে গেছে বাজার, দোকানপাট ও মানুষের দৈনন্দিন জীবন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার থেকে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চা বাগানের শ্রমিকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারের দোকানগুলোর একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে মোমবাতি ও কুপিবাতি। তবে মোমবাতির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে কেরোসিনচালিত কুপিবাতি কিংবা স্থানীয়ভাবে তৈরি ‘বোমা বাতি’ ব্যবহার করছেন।
সরেজমিনে ফুলবাড়ি চা বাগান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ম্লান আলোয় ধুঁকছে প্রতিটি দোকান। নিবো নিবো আলোতে চলছে বেচাকেনা, যা দেখে মনে হয় অতীতের কোনো বাংলাদেশের চিত্র। বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও কমে গেছে। যারা আসছেন, তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতির মাঝেই কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যায় কদম আলীর দোকানের সামনে। সেখানে একটি জেনারেটরের মাধ্যমে কয়েকটি দোকানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধু আলো নয়, মোবাইল ফোন ও টর্চলাইট চার্জের ব্যবস্থাও রয়েছে সেখানে।
প্রতি মোবাইল চার্জের জন্য নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। প্রয়োজনের তাগিদে চা বাগানের শ্রমিকরা লাইনে দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে তাদের মোবাইল ও টর্চলাইট চার্জ করছেন।
অন্ধকারের মাঝেও এই জেনারেটরভিত্তিক সেবা যেন ছোট্ট এক আশার আলো হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের জন্য। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন কবে ফিরবে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা? ফুলবাড়ি চা বাগানের মানুষের এই দুর্ভোগ আর কতদিন চলবে, তার উত্তর এখনো অজানা।


আরো সংবাদ পড়ুন...